হজযাত্রীদের ইসলামিক উন্নয়ন
ব্যাংকের (আইডিবি) মাধ্যমে কোরবানি দেওয়া সৌদি সরকারের স্বীকৃত ব্যবস্থা।
কোরবানি বাবদ ৪৫০ রিয়াল খরচ হবে। কয়েক বছর ধরে হজ পালন করেছেন—এমন কয়েকজন
জানালেন, আইডিবির মাধ্যমে কোরবানি দিলে দুশ্চিন্তা ছাড়াই মিনাসহ বিভিন্ন
স্থানে হজ-সংশ্লিষ্ট কাজ সারতে সুবিধা হয়।
এই প্রতিবেদকের বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে, বাংলাদেশের হাজিদের একটি অংশ প্রবাসী, বিশেষ করে নিজ জেলার কোনো প্রবাসীকে পেলে তাঁদের মাধ্যমে কোরবানি দেন। এই প্রবাসীরা মূলত হজ উপলক্ষে পশু ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকেন। কোরবানিতে সহায়তার নামে তাঁরা বয়স্ক হাজিদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে কোনো কোরবানি না দিয়ে তা আত্মসাৎ করেন। কেউ কেউ বেশ কয়েকজন হাজির কাছ থেকে অর্থ নিলেও দু-তিনটি পশু কোরবানি দেন। প্রথমে তাঁরা নিজ জেলা থেকে আসা বয়স্ক হাজিদের খুঁজে বের করে তাঁদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ান। একপর্যায়ে তাঁকে দায়িত্ব দিলে কম খরচে (৩৫০ রিয়াল বা ৩০০ রিয়াল) সহজে কোরবানি করে দেওয়ার প্রস্তাব দেন এবং মিনা থেকে ফিরে এলে সেই মাংস খাওয়ানোরও প্রতিশ্রুতি দেন। মক্কায় হাজিরা মক্কা, আরাফাতের ময়দান, পাঁচ কিলোমিটার দূরের মিনাসহ বিভিন্ন স্থানে হজ-সংশ্লিষ্ট কাজ সারতে ব্যস্ত থাকেন। কোরবানির খবর নিতে পারেন না। তাঁদের কাছ থেকে কোরবানির জন্য অর্থ নেওয়া ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা দু-তিনটি ছাগল কোরবানির দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ করে এনে তাঁদের দেখান, যাতে তাঁরা সন্দেহ করতে না পারেন। আবার হাজিদের কেউ কেউ সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কোরবানি করার জায়গায় গিয়ে হাজির হলে তাঁদের সামনে দু-একটি ছাগল জবাই করা হয়।
ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতবার হজের সময় আইডিবির মাধ্যমে ১০ লাখের বেশি হাজি পশু কোরবানি দিয়েছেন। এবারও ২০ লাখের বেশি পশু কোরবানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। পশুর দাম বাবদ এবং বাকি টাকা কসাইখানার খরচ, হিমাগারে মাংস সংরক্ষণ ও পৃথিবীর বিভিন্ন মুসলিম দেশের গরিব লোকজনের মধ্যে এই মাংস বিতরণের খরচ বাবদ নেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠানটির এ পরিমাণ পশুর মাংস রাখার হিমাগার আছে। হজের পরে ২৭টি মুসলিম দেশে এসব মাংস বিতরণের জন্য পাঠানো হয়। প্রতিবছর বাংলাদেশেও এ মাংস ‘দুম্বার মাংস’ নামে যায় এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিলি হয়।
এই প্রতিবেদকের বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে, বাংলাদেশের হাজিদের একটি অংশ প্রবাসী, বিশেষ করে নিজ জেলার কোনো প্রবাসীকে পেলে তাঁদের মাধ্যমে কোরবানি দেন। এই প্রবাসীরা মূলত হজ উপলক্ষে পশু ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকেন। কোরবানিতে সহায়তার নামে তাঁরা বয়স্ক হাজিদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে কোনো কোরবানি না দিয়ে তা আত্মসাৎ করেন। কেউ কেউ বেশ কয়েকজন হাজির কাছ থেকে অর্থ নিলেও দু-তিনটি পশু কোরবানি দেন। প্রথমে তাঁরা নিজ জেলা থেকে আসা বয়স্ক হাজিদের খুঁজে বের করে তাঁদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ান। একপর্যায়ে তাঁকে দায়িত্ব দিলে কম খরচে (৩৫০ রিয়াল বা ৩০০ রিয়াল) সহজে কোরবানি করে দেওয়ার প্রস্তাব দেন এবং মিনা থেকে ফিরে এলে সেই মাংস খাওয়ানোরও প্রতিশ্রুতি দেন। মক্কায় হাজিরা মক্কা, আরাফাতের ময়দান, পাঁচ কিলোমিটার দূরের মিনাসহ বিভিন্ন স্থানে হজ-সংশ্লিষ্ট কাজ সারতে ব্যস্ত থাকেন। কোরবানির খবর নিতে পারেন না। তাঁদের কাছ থেকে কোরবানির জন্য অর্থ নেওয়া ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা দু-তিনটি ছাগল কোরবানির দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ করে এনে তাঁদের দেখান, যাতে তাঁরা সন্দেহ করতে না পারেন। আবার হাজিদের কেউ কেউ সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কোরবানি করার জায়গায় গিয়ে হাজির হলে তাঁদের সামনে দু-একটি ছাগল জবাই করা হয়।
ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতবার হজের সময় আইডিবির মাধ্যমে ১০ লাখের বেশি হাজি পশু কোরবানি দিয়েছেন। এবারও ২০ লাখের বেশি পশু কোরবানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। পশুর দাম বাবদ এবং বাকি টাকা কসাইখানার খরচ, হিমাগারে মাংস সংরক্ষণ ও পৃথিবীর বিভিন্ন মুসলিম দেশের গরিব লোকজনের মধ্যে এই মাংস বিতরণের খরচ বাবদ নেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠানটির এ পরিমাণ পশুর মাংস রাখার হিমাগার আছে। হজের পরে ২৭টি মুসলিম দেশে এসব মাংস বিতরণের জন্য পাঠানো হয়। প্রতিবছর বাংলাদেশেও এ মাংস ‘দুম্বার মাংস’ নামে যায় এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিলি হয়।

Comments
Post a Comment